শিরোনাম

13 Apr 2021 - 05:00:02 pm। লগিন

Default Ad Banner

২৩ কোটি টাকার সার গায়েব: সাক্ষ্য দিতে অনীহা তদন্ত কর্মকর্তার

Published on Monday, January 13, 2020 at 11:42 am 90 Views

এমসি ডেস্কঃ ভৈরবে বিএডিসি সার গুদামের ২৩ কোটি টাকা মূল্যের ৯৬ হাজার ২০০ বস্তা সার চুরির ঘটনায় করা মামলার বিচারকাজ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। পাঁচ বছর ধরে চলা এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাল কমল চন্দ্রকে ১০ বার নোটিশ দিলেও তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সাক্ষ্য দিতে আসেননি।

sar package

গত দুই বছর ধরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাল কমল চন্দ্রের সাক্ষ্য নেয়ার জন্য বিভিন্ন সময় তারিখ নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সাক্ষ্য দেয়ার জন্য আদালতে হাজির হননি তিনি। সর্বশেষ গত বুধবার তারিখ নির্ধারণ করলেও হাজির হননি এই তদন্ত কর্মকর্তা। এ নিয়ে দশমবারের মত বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে আসেননি তিনি।

দুদকের দায়েরকৃত আলোচিত এ মামলার আসামি সাতজন। তারা হলেন গুদামরক্ষক খোরশেদ আলম, সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, সাবেক যুগ্ম পরিচালক আহাদ আলী, ডিলার প্রতিনিধি লিটন সাহা, সবুজ মিয়া, হারিছুল হক ও গুদামের সরদার রতন মিয়া। এর মধ্যে প্রধান আসামি গুদামরক্ষক খোরশেদ আলম ২০১৯ সালের ১৮ মার্চ মারা যান।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুদাম থেকে সার গায়েবের বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ পায়। সে সময় বিএডিসির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গুদামটি সিলগালা করে দেয়। তখন ভয়ে গুদামরক্ষক খোরশেদ আলম ও সহকারী পরিচালক (সার) রেজাউল করিম পালিয়ে যান।

ভৈরব থানায় কিশোরগঞ্জ বিএডিসির যুগ্ম পরিচালক পালিয়ে যাওয়া দুজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এর কয়েকদিন পরই খোরশেদ আলম ও রেজাউলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তের পর জড়িত সাতজনের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিশ। পরবর্তীতে মামলাটি ময়মনসিংহের দুদক আদালতে স্থানান্তর করা হয়।

মামলার বাদী বিএডিসির যুগ্ম পরিচালক মো. শহীদুল্লাহ বলেন, বাদীসহ সাক্ষী আছেন ৩৫ জন। এর মধ্যে গত দুই বছরে সাক্ষ্য দিয়েছেন ৩১ জন। কিন্তু ১০ বার তারিখ দেয়া হলেও তদন্ত কর্মকর্তা পাল কমল চন্দ্র আদালতে সাক্ষ্য দিতে না আসায় এখন মামলার বিচার কার্যক্রম নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *