শিরোনাম

15 May 2021 - 08:40:22 pm। লগিন

Default Ad Banner

রাতে ঘরে শুঁয়ে চালের ফুঁটা দিয়ে আকাশের তাঁরা গুনে ঘুমিয়ে পড়েন ভাগ্যবিরম্বিত মমেনা

Published on Tuesday, August 20, 2019 at 6:09 pm 275 Views

এমসি ডেস্ক: র্দুদশাগ্রস্ত আর ভাগ্য বিরম্বিত নারী কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নদিরকুটি গ্রামের মমেনা বেওয়া (৬৫)। নানা জন সরকারি বেসরকারি নানা সাহায্য সহযােগিতা পেলেও এ পর্যন্ত কিছুই জােটেনি তার ভাগ্যে। নিত্য অভাব আর অসুস্থ্যতাকে সাথে নিয়ে দিন কাটে তার খেয়ে না খেয়ে। রাতেও ঘুমাতে পারেন না। বাঁশের বেড়ার ঘর পলিথিনের ছাউনি। তাও ফুঁটা। বৃষ্টি এলে এক কােনায় গুটিসুটি মেরে রাত কাটে তার নির্ঘুমে। দুই সন্তানের জননী মমেনার স্বামী মারা গেছেন ২৫ বছর আগ। অন্যর বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে জমানাে টাকায় কষ্টে মেয়েটার বিয়ে দিয়েছেন।এক মাত্র ছেলে বিয়ে করে স্ত্রী সন্তান নিয়ে আলাদা জীবন যাপন করে। মা, বাবা, ভাই, বােন স্বজনহীন মমেনাকে দেখার কেউ নেই।
গতকাল বিকেলে মমেনার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একমাত্র ছেলের ঘরটি তালাবদ্ধ । মমেনার ভাঙা ঝুঁপরী ঘরের এক কােণে মাটিতে পাতা একটা ময়লা বিছানা। অন্য দিকে রান্নার চুলা। মমেনা জানায়, রাতে ঘরে শুয়ে চালের ফুঁটা দিয়ে আকাশের তাঁরা গুন ঘুমিয়ে পড়েন। রাতে বৃষ্টি আসলে বিছানার এক কােণে বসে থেকে রাত পাড় করেন। পরের দিন কাজ কাম ফেলে বিছানা কাপড় শুকাতে দিন পাড় করেন।
মমেনা বেওয়া কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, বাহে মাের কাইয়াে নাই, কিছুই নাই। বুড়া বয়সে মানুষের বাড়িতে কামাই করি খাং বাহে। আর কদ্দিন বাচিম জানােংনা।দুইমুঠ খাবার পায়া শুতি থাইকপার পাইলে এ্যাকনা শান্তি পানু হয়।
স্থানীয়-নুরজাহান বেগম, এরশাদুল হক জানান, মমেনা বেওয়া বড়ই অভাগী।স্বামী মরার পরে ছেলেও দেখাশুনা করে না।তিনি কষ্টে দিন যাপন করেন। বিধবা ভাতা ও একটা ঘর পাওয়ার যােগ্য বলে জানালেন ওই গ্রামের শহিদুল ইসলাম মিস্ত্রি। কিন্তু এতাে দিনে তার ভাগ্যে কিছুই জােটেনি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মােছাঃ মাছুমা আরেফিন জানান, নতুন ঘরের বরাদ্দ পাওয়া গেলে তাকে ঘর দেওয়া হবে । সেই সাথে তিনি বিধবা ভাতার আবেদন করলে যাচাই বাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *