শিরোনাম

12 Apr 2021 - 10:36:45 am। লগিন

Default Ad Banner

মিয়ানমারকে বর্জনের আহ্বান

Published on Monday, December 9, 2019 at 8:25 pm 99 Views

boycott myanmar

এমসি ডেস্কঃ সেনাবাহিনী কর্তৃক রোহিঙ্গাদের গণহত্যা ও নির্যাতনের কারণে মিয়ানমারকে বর্জনের ডাক দিয়েছে বিশ্বের ১০টি দেশের ৩০টি সংগঠন। ‘বয়কট মিয়ানমার ক্যাম্পেইনের’ অংশ হিসেবে এ আহ্বান জানায় বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার, পেশাদার ও শিক্ষাবিদ সংগঠন।

ক্যাম্পেইনটি চালু করেছে 'বয়কট মিয়ানমার ডট অর্গ' নামের একটি সংগঠন। সম্প্রতি লন্ডন থেকে এ বিষয়ে নিজেদের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। এর সাথে আরো যুক্ত রয়েছে ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশন, রেস্টলেস বিংস, রোহিঙ্গা হিউম্যান রাইটস নেটওয়ার্ক অব কানাডা, ফরসি ডট কো, ডেস্টিনেশন জাস্টিস, রোহিঙ্গা হিউম্যান রাইটস ইনিশিয়েটিভ অব ইন্ডিয়া ও এশিয়া সেন্টার।

এদিকে, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা গণহত্যা মামলার শুনানি আগামী মঙ্গলবার থেকে হেগে অবস্থিত জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) শুরু হতে যাচ্ছে। আর ১২ই ডিসেম্বর পর্যন্ত চলা এ শুনানিতে নিজের দেশের পক্ষে অবস্থান নিতে ইতোমধ্যে হেগে পৌঁছেছেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচি।

মিয়ানমারের সর্বোচ্চ নেত্রী যখন নিজের দেশের পক্ষে অবস্থান নিতে শুনানিতে অংশ নিতে যাচ্ছেন ঠিক তখনই দেশটিকে বর্জনের আহ্বান জানিয়ে প্রচার প্রচারণা শুরু হলো।

rohingya crisis 3

ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও দেশটির সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো রাখাইনের মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংস নির্যাতন ও গণহত্যা চালানো শুরু করে। তখন লাখ লাখ নির্যাতিত রোহিঙ্গা সেখান থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশ আশ্রয় নেয়। এর প্রত্যক্ষ প্রমাণ ও ডকুমেন্টারিও রয়েছে।

কিন্তু হতাশার কথা, সারাবিশ্ব এমন বর্বরতার নিন্দা জানালেও শান্তিতে নোবেল পাওয়া মিয়ানমারের বেসামরিক নেত্রী অং সান সুচি এ অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এ বিষয়ে জার্মানভিত্তিক ফ্রি রোহিঙ্গা কোয়ালিশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা নাই সান লুইন বলেন, ১৫ বছর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে গৃহবন্দি থাকা অং সান সুচির মুক্তির জন্য তারা আন্দোলন করেছেন। অথচ সেই সুচিই মুক্তি পাওয়ার পর এখন সেনাবাহিনীদের সঙ্গে চলছেন।

জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের বরাত দিয়ে তিনি আরো বলেন, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের নির্মূল করার নীতি গ্রহণ করেছে। তাই সকলের উচিত দেশটির সঙ্গে সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিন্ন করা।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *