শিরোনাম

13 Apr 2021 - 05:15:50 pm। লগিন

Default Ad Banner

ভ্যাকসিনের দাম গরীবের সাধ্যের মধ্যেই থাকবে

Published on Tuesday, July 7, 2020 at 11:30 pm 104 Views

এমসি ডেস্ক :  বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাসের টিকা (ভ্যাকসিন) আবিষ্কারের দাবি করেছে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। এটি বাজারে আনতে পারলে তার দাম গরীব মানুষদের সাধ্যের মধ্যেই থাকবে বলে জানিয়েছেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ড. আসিফ মাহমুদ।

dr asif mahmudড. আসিফ মাহমুদ

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নিজেদের এই ভ্যাকসিনের সফলতার ব্যাপারে তারা খুবই আত্মবিশ্বাসী। এই ভ্যাকসিন তৈরির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- যেন বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ এটি পেতে পারে। এর দাম সাধারণ মানুষের কেনার সক্ষমতার মধ্যে থাকবে। গরীব মানুষদের সাধ্যের মধ্যেই থাকবে।

ড. আসিফ মাহমুদ বলেন, ভ্যাকসিনটি আমাদের দেশে প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছে। ফলে এটা সবার জন্যই নতুন একটি অভিজ্ঞতা। এখানে পদে পদে প্রতিবন্ধকতা আসবে। সেগুলো যদি একে একে সমাধান করা যায়, তাহলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই করোনাভাইরাসের এই ভ্যাকসিন বাজারে আনতে পারবো বলে আশা করছি।

তিনি বলেন, এটি প্রাথমিকভাবে পাঁচটি খরগোশের ওপর ট্রায়াল করি। এক্ষেত্রে তিনটা ক্যান্ডিডেট তিনটি খরগোশের শরীরে প্রয়োগ করা হয়। বাকি একটা খরগোশ কন্ট্রোলড থাকে। অর্থাৎ সেটাতে কোনো ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়নি। অন্য খরগোশটির শরীরে প্লাসিবো প্রয়োগ করি। এক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের অ্যাক্টিভ ম্যাটারিয়াল ছিল না। শুধু ফর্মুলেশন বাফার দেয়া হয়।

globe vaccine

কন্ট্রোলে রাখা খরগোশটির শরীরে কোনো কিছুই ইনজেক্ট করা হয়নি। আর প্লাসিবো দেয়া খরগোশটি নরমাল ছিল। এরপর ১৪তম দিনে গিয়ে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা তিনটি খরগোশের শরীর থেকে রক্ত সংগ্রহ করা হয়। সেখান থেকে সিরাম আলাদা করলে দেখা যায়, তিনটি খরগোশের শরীরেই যথেষ্ট পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

মোট চারটি ক্যান্ডিডেট এবং তিনটি ডিফারেন্ট ডেলিভারি মেকানিজম নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান ট্রায়ালে তিনটি টার্গেট। এর মধ্যে একটি ডেলিভারি মেকানিজম নিয়ে। যা আরো ব্যাপকভাবে অ্যানিমেলের ওপর ট্রায়াল করা হবে। এক্ষেত্রে আরো নয়টি ক্যান্ডিডেটের ট্রায়াল দেয়া হবে। যে ক্যান্ডিডেটের রেজাল্ট বেশি সুইটেবল হবে, সেটা নিয়েই হিউম্যান ট্রায়াল করা হবে।

তিনি বলেন, রেগুলেটেড অ্যানিমেল ট্রায়াল করতে আপাতত ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় নিচ্ছি। এরপরই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রটোকল বিএমআরসিতে জমা দেব। সেখান থেকে অনুমতি পেলে সিআরও দিয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাব।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *