শিরোনাম

13 Apr 2021 - 03:44:53 pm। লগিন

Default Ad Banner

বৃদ্ধাশ্রমে মা’রা গেছেন বাবা সন্তানকে খবর দেয়ার পরও আসেনি

Published on Friday, December 6, 2019 at 8:14 pm 97 Views

এমসি ডেস্কঃ মতিন মিয়া। বয়স ৭০ পেরিয়েছে অনেক আগেই। বার্ধক্য আর রোগের কারণে একা চলতে পারতেন না। এজন্য চেয়ে থাকতে হতো অন্যের সাহায্যর জন্য। খুলনা থেকে বৃদ্ধ মতিন মিয়াকে ঢাকায় নিয়ে আসেন বড় ছেলে। সন্তানের সঙ্গেই থাকতেন তিনি মিরপুরে।

কিন্তু হঠাৎ জন্মদাতা বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসেন ছেলে। বৃদ্ধের সঙ্গে নিজের পরিচয় দেন দূর-সম্পর্কের মামা বলে। এরপর কোনোদিন বাবার খোঁজও নেয়নি। বেশ কয়েকবার ছেলে ও নাতি-নাতনিদের দেখতে চেয়েও দেখা পাননি। শেষবারের মতো প্রিয়জনদের দেখার ইচ্ছা পূরণ না হতেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন আব্দুল মতিন।

শুক্রবার ভোরে কল্যাণপুরের বৃদ্ধাশ্রমে মা’রা গেছেন মতিন মিয়া। চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা মিল্টন সামাদার গনমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বৃদ্ধ মতিন মিয়াকে রেখে যাওয়ার সময় তিনি ভীষণ অসুস্থ ছিলেন। চলাচলে অক্ষম ছিলেন। মিরপুরে ছেলে ও বউমার কাছে থাকতেন। মামা পরিচয় আড়াই বছর আগে তার ছেলে আমাদের এখানে রেখে গিয়েছিল।

মিল্টন জানান, ‘যতদুর জানতে পেরেছি মতিন মিয়ার বাড়ি খুলনায় ছিল। মৃ’ত্যুর কয়েক দিন আগে তিনি জানিয়েছিলেন- ‘তাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে গেছেন বড় ছেলে।’ চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা আর বলেন,মতিন মিয়া সব সময় বলতেন- ছেলেকে খবর দেন, আমি আর বাঁচবো না, ওরা যেন সন্তান-স্ত্রী নিয়ে আমাকে একটু দেখতে আসে।’ আমরা বারবার যোগাযোগ করলেও তার ছেলে কাজের ব্যস্ততা দেখিয়ে আসেননি। বাবার মৃ‘ত্যুর বিষয় জানাতে বারবার যোগযোগ করেও ব্যর্থ হয়েছি।

মিল্টন বলেন, গতকাল রাতে হঠাৎ মতিন মিয়ার শরীর খারাপ হতে থাকে। এরপর ভোরে তিনি মা‘রা যান। সকাল নয়টার দিকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মতিন মিয়াকে দা‘ফন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এই ঘটনাটি সেপ্টেম্বর মাসের। আবার পোস্ট দেয়ার কারন সচেতনতা। কোন পিতা মাতার জায়গা যেন না হয় বৃদ্ধাশ্রমে। মনে রাখবেন এই সময় আপনার আমার ও আসবে একদিন। আজ যুবক আমরা একসময় আমরা বৃদ্ধ হব।সেই কথা যেন মনে থাকে।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *