শিরোনাম

17 Apr 2021 - 08:28:12 am। লগিন

Default Ad Banner

বীরগঞ্জে গোলাপগঞ্জ হাট ইজারায় ব্যপক অনিয়ম দুর্নীতি, চলছে লুটপাটের মহোৎসব,সরকার হারাচ্ছে বিপুল রাজস্ব”

Published on Monday, April 20, 2020 at 12:05 am 217 Views

 

মোশাররফ হোসেন : বীরগঞ্জ,দিনাজপুরঃ উপজেলার একমাত্র লাভজনক রাজস্ব আরকারী হাট হিসেবে গোলাপগঞ্জ অন্যতম। কোটি টাকা অধিক মুনাফা হাট বিগত ১৪২৫ বাংলা সনে খাস টোলে আদায় করা হয়। খাস টোল আদায়কারী নওশেদ আলী গেদা,ধনির উদ্দিন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা যায় শর্ত অনুযায়ী প্রতি হাটের দিন সোম ও বৃহস্পতিবার ৯০ হাজার টাকা চুক্তিতে সারা বছরে ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু সমুদয় টাকা রাজস্ব খাতে সরকারী কোষাগারে জমা হয়েছে কিনা সন্দিহান সচেতন মহল। একইভাবে চলতি বছর ১৪২৭ বাংলা সনে ঐ হাট ইজারায় রাজস্ব ফাঁকির অভিনব কৌশল অবলম্বন পূর্বক টোল আদায় শুরু করা হয়েছে। এটি খাস টোলে আদায় করা হচ্ছে না ইজারাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তা অস্পষ্ট। গত ১৬ এপ্রিল' ২০২০ রোজ বৃহস্পতিবার বছরের পহেলা হাটের দিন দেখা যায় সুষল মাঠে কাঁচা বাজার চলছে। টোল আদায়কারী হিসেবে ভূট্টু এবং রবি দায়িত্ব পালন করেছে। মসলা বিক্রেতা পুন্ন বাবুসহ অন্যরা জানান আদায়কারী রবি ও ভূট্টু বিনা রশিদে দোকান প্রতি ১০/১৫/২০ টাকা আদায় করছে। কাঁচা মালের দোকানদার করমেছ আলী জানান তার কাছে ৩০টাকা খাজনা আদায় করছে। গরু মাংস বিক্রেতা আব্দুর রশিদের পুত্র নিরাজুল ও আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আলম অভিযোগ করে জানান তাদের নিকট গরু ক্রয়ের রশিদ থাকা সত্ত্বেও আদায়কারী মোখলেছ গরু লেখাই বাবদ প্রতি গরু ৩০০ টাকা হিসাবে ২টি গরুর ৬০০ টাকা এবং ২ দোকানে ৮০ টাকা হিসাবে ১৬০ টাকা মোট ৭৬০ টাকা অবৈধভাবে বিনা রশিদে আদায় করেছে। এ ব্যপারে আদায়কারী ভূট্টু ও রবিকে পাওয়া যায়নি। মোখলেছ জানান ইউপি চেয়ারম্যান এম এ খালেক সরকারের মৌখিক নিদের্শে টোল আদায় করা হচ্ছে কারণ তিনি এবার এই হাটের ইজারাদার। তবে তিনি বিনা রশিদে টাকা আদায় ভুল হয়েছে বলে স্বিকার করেন। উপজেলা একমাত্র পশুহাট এটি কিন্তু বৈশিক করোনা দূর্যোগের কারণে সাময়িক গরু-মহিষ-ছাগল কেনা বেচা স্থগিত রয়েছে। নাই কোন ধান-পাট কেনা বেচা। সাবেক ইজারাদার নওশেদ আলী,চলিত সনের ইজারা নিতে আগ্রহী ও ইজারা দরপত্রে অংশগ্রহনকারী ধনির উদ্দিন জানান তিনি হাট-বাজার নীতিমালা যথাযথ পালন করে দরপত্রে অংশ গ্রহন করেন এবং ১ কোটি ৫ লাখ তৎসঙ্গে ভ্যাট-আয়কর প্রদানে ইজারা গ্রহনে প্রস্তুত আছেন কিন্তু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়ামিন হোসেন এবং ইউপি চেয়ারম্যান এম এ খালেক সরকার আতাত করে আমার চেয়ে আরও ১ লাখ টাকা বেশি মূল্যে হাট ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আমার জামানত ফিরিয়ে দেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্রে আমি নিশ্চিত হয়েছি এম এ খালেক সরকার অদ্যাবধি ইজারা মূল্যের টাকা পরিশোধ না করেই নিজেকে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে অফিস অনুমোদন ছাড়াই ইজারাদার ঘোষণা দিয়ে বিনা রশিদে তার লোকজন দ্বারা অতিরিক্ত টোল আদায় আরম্ভ করেছেন। যাহা সম্পূর্ণ আইন পরিপন্থী, বে-আইনি বটে। প্রশ্ন হচ্ছে প্রশাসন নিরব কেন?নির্ধারিত সময়-সীমার মধ্যে ইজারা মূল্যের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তার জামানত বাজেযাপ্ত হয়ে যাবে পুনঃইজারা বিজ্ঞপ্তি, আহবান করতে হবে। হাট-বাজার ইজারা নীতিমালার শর্তমতে ইজারা মূল্যের সমুদয় টাকার ভ্যাট-আয়কর সহ পরিশোধ সাপেক্ষে কর্তৃপক্ষের লিখিত বহির্ভূত কোন মতেই সম্ভব নয়। এম এ খালেক সরকার যেহেতু ইজারা মূল্যের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে তাই তার জামানত বাজেযাপ্ত করার পর দ্বিতীয় বিটার হিসাবে আমি উক্ত হাটের ইজারাদার। চলমান পরিস্থিতিতে ইউপি চেয়ারম্যান কথিয় ইজারাদার এম এ খালেক সরকারের মুখোমুখি হলে তিনি গোস্ত ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত আদায় কৃত ৬০০ টাকা আদায়কারী মোখলেছ কে ফিরিয়ে দিতে বলেন। বিনা রশিদের টোল আদায় করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ইজারা মূল্যের সমুদয় টাকা পরিশোধ করা হলেও করোনা ভাইরাস দুর্যোগের কারণে চূড়ান্ত অনুমোদনের পত্র হস্তগত হয়নি এবং রশিদ বহিও ছাপানো হয়নি বলে বিনা রশিদে টোল আদায় চলছে। এই কারণে নির্ধারিত খাজনা আদায় তালিকার সাইন বোর্ড ও ঝুলাতে পারেন নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে বারবার ফোনের যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায় নি। জনগন জানতে চায় গোলাপগঞ্জ হাট ১৪২৭ বাংলা সনে ইজারা দেয়া রয়েছে কিংবা খাস টোলের আদায় চলছে? আদায়কৃত অর্থ কোথায় জমা হচ্ছে??

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *