শিরোনাম

13 Apr 2021 - 03:34:26 pm। লগিন

Default Ad Banner

বীরগঞ্জের ইন্সিপেক্টর বিশ্বনাথের বিরুদ্ধে ইন্সিপেক্টর সাকিলার গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিক আবেদ আলীর লিখিত ক্ষাক্ষী গ্রহন

Published on Monday, September 7, 2020 at 6:13 pm 77 Views

 

মোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : ৭ সেপ্টেম্বর সকালে বীরগঞ্জের সাবেক ইন্সিপেক্টর বিশ্বনাথের বিরুদ্ধে সাবেক ইন্সিপেক্টর সাকিলার গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ড. মোঃ রুহুল আমিন সরকার (ইন-
সার্ভিস ট্রেনিং) সেন্টার কার্যালয়ে সাংবাদিক আবেদ আলীর লিখিত ক্ষাক্ষী গ্রহন করা হয়েছে। বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি দৈনিক করতোয়া ও দৈনিক জনমত
পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মোঃ আবেদ আলী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ড. মোঃ রুহুল আমিন সরকার (ইন-সার্ভিস ট্রেনিং) সেন্টার দিনাজপুর কার্যালয়ে তার অফিস স্মারক নং-৩৩(৩)(ইন সার্ভিস) তারিখ-০৩/০৯/২০২০ইং ও জেলা পুলিশ সুপারের অফিস স্মারক নং-২৬৪০/সি তারিখ-০৮/১১/২০১৯ইং মোতাবেক ৭ সেপ্টেম্বর সকালে লিখিত বক্তব্য গ্রহন করেছেন। লিখিত বক্তব্য নিম্নরূপ-আপনার প্রদত্ত স্মরক ও পত্রের প্রেক্ষিতে সদয় অবগতি ও প্রয়োজনিয় ব্যাবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে¡ আমার লিখিত বক্তব্যে জানাছি যে, আমি মোঃ আবেদ আলী পিতা মরহুম সফিল উদ্দিন গ্রাম-সুজালপুর থানাপাড়া ৫নং ওয়ার্ড, বীরগঞ্জ পৌরসভা, দিনাজপুর। প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বীরগঞ্জ প্রেসক্লাব, দিনাজপুর। সাংবাদিক দৈনিক করতোয় ও দৈনিক জনমত। গত ১৯৮০ইং হতে সাংবাদিকতা জগতে প্রবেশ করে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসতেছি। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা জগতে প্রবেশ করে ২০/২৫জন ওসি দায়িত্ব পালনকালে আমার সাথে সু-সর্ম্পক্য ছিল। এরমধ্যে যে কোন এক বা একাধিক ওসি’র কাছে সাংবাদিক মোঃ আবেদ আলী সম্পর্ক্যে তথ্য নিলে বিষয়টি পরিস্কার হওয়া যাবে।
গত ২৩ অক্টোবর/২০১৯ইং সাবেক ওসি সাকিলা পারভীন একটি ধর্ষনের ঘটনার
মামলা নেয়নি, ভিকটিম ও পরিবারের লোকেরা পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাত করে বিষয়টি অবগত করেন। পুলিশ সুপার বিষয়টি আমলে নিয়ে ওসি সাকিলাকে

 

মোবাইল ফোনে মামলা গ্রহনের নিদের্শ দিয়ে ভিকটিমকে থানায় পাঠিয়ে দেন। ওসি সাকিলা পুলিশ সুপার নিদের্শ পদদোলিত করে ধর্ষক (বিএনপি নেতা) খালেক সরকারকে থানায় ডেকে এনে ধর্ষিতার সাথে মুখোমুখী করে ২’টি মোবাইলে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে (সোনা গাজির মত) ভিডিও ধারন করেন এবং ধর্ষক এবং ওসি সাকিলা ভিকটিমকে অশ্লীল ভাবে গালগালি করে থানা থেকে বের করে দেন। নিরুপায় হয়ে অসহায় ভিকটিম বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে গিয়ে বিষয়ের বর্ণনা করেন ও তাদরে লিখিত অভিযোগ প্রদান করে সংবাদ প্রচার করার জন্য কান্নাকাটি করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি প্রেসক্লাবের সভপতি আবেদ আলী ও যুগ্ন সাঃ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে সংবাদের প্রমান পাওয়া যায়। সেই মোতাবেক ধর্ষনের ঘটনা পুলিশ সুপার বলার পরেও থানায় মামলা নেওয়া হয়নি মর্মে দৈনিক করতোয়া, দৈনিক জনমত ও যোগাযোগ মাধ্যমে এবং বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এই সংবাদ প্রকাশের পর ওসি সাকিলা ক্ষিপ্ত হয়ে ধর্ষকের কাছে অভিযোগ নিয়ে ধর্ষনের ঘটনা আড়াল করে একদল পুলিশ নিয়ে আমাকে মোঃ আবেদ আলী ও মোঃ মোশাররফ হোসেনকে গত ২৪ অক্টোবর/২০১৯ইং রাত সারে ১১টায় পৌরসভা হাটখোলা থেকে গ্রেফতার করে থানা হাজতে আটকে রেখে ওই রাতেই আমাদের বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে বাড়ীর ঘুমন্ত লোকজনের সাথে অসদাচরন ও জিনিষপত্র ভাংচুর করেন, শোওয়ার ঘর, ড্রয়িং রুমের লকার ও ড্রয়ার ভেঙ্গে ফেলে ও বিছানা তছনছ করে মুলবান দলিল, কাগজপত্র, ল্যাপটপ, মোবাইল ও টাকা নিয়ে যায়। ওসি সাকিলা ধর্ষক ও একদল সন্ত্রাসীকে থানায় ডেকে এনে থানা হাজতের সামনে এসে আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে ও বলে হাজত থেকে বের হারগোর ভেঙ্গে মাংস আলাদা করে ফেলব। আমি তাৎক্ষনিক ভাবে ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি ডাইরী করার অনুরোধ করেছি কিন্ত ঘুষখোর ওসি ডাইরী গ্রহন করেনি। পরদিন ২৫ অক্টোবর সকালে আমার সংগৃগীত নিজহাতে লেখা একটি হ্যান্ডনোট ওসি সাকিলার ১৫/১৬টি আইটেমের দুর্নীতির চিত্র-বিভিন্ন স্থরে মাসোহারা আদায়, পুলিশ দিয়ে মাদক বিক্রিসহ বিভিন্ন অপকর্মের ও ঘুষ-দুর্নীতির ফিলিস্থি দেখিয়ে আমাকে বলেন এটি বিশ্বনাথ দিয়েছে বলতে হবে। নইলে এটাসহ ৪টি মামলা দিয়েছি আরো হাপ ডজন মামলা দিব এবং জমিনে আসলে ধরে এনে ক্রস ফায়ার দিব। ওসি সাকিলা পূর্ব শত্রæতার কারন সমুহ হচ্ছে, এ থানায় যোগদানের পর শীর্ষ জোয়ারু রাজ্জাক মেম্বারের কাছে ১৫ লক্ষ টাকা ও তোফাজ্জলের কাছে ১২ লক্ষ টাকা নিয়ে মেলা বসিয়ে ডাবু-হাউজি প্রকাশ্য জুয়ার আসর বসানো হয়। জুয়া বন্ধের দাবিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আন্দোলন-মানববন্ধন ও ঢাকা-
পঞ্চগড় মহাসড়ক অবরোধ এবং হাইকোটের নিদের্শে জুয়া বন্ধে বাধ্য করা হয়।
এক চেয়ারম্যানের কিশোর ছেলের পকেটে গাজার কোলকি ঢুকিয়ে দিয়ে গ্রেফতার, ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে প্রতারনা, ৫০০০পিস ইয়াবাসহ আসামীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে। ১২ লক্ষ টাকা নিয়ে তাকে ৫পিস দিয়ে মাদক সেবী হিসেবে জামিনযোগ্য ধারায় আদালতে প্রেরন করেছে এমন ঘটনা অনেক, হত্যার ঘটনায় ১২ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়। ডলার চক্রের কাছে ২ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রইভেট কার ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ও ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে জুয়ার আসর বসিয়ে হত্যসহ মানুষকে সর্বশান্ত করার ঘটনা মিডিয়ায় প্রচারের ঘটনায় ক্ষিপ্ত সাবেক ওসি সাকিলা পারভীন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের উপর চড়াও হয়। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, চাঁদাবাজীসহ একের পর এক ৪টি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে যা বীরগঞ্জের
ইতিহাসে প্রথম। সাংবাদিকদের দ্বন্ধকে কাজে লাগিয়ে দিধা-বিভক্তি সৃষ্টি করে। সাংবাদিকের একটি বিরোধী পক্ষকে হাত করে প্রেসক্লাবের সিনিয়র ও অভিজ্ঞা সাংবাদিকদের মামলায় ফাসিয়ে দিয়ে চুটিয়ে ঘুষ-দুনীতির রাজত্ব কায়েম করেন। ওসি সাকিলা পারভীনের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্ণীতি তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষন এবং অনুসন্ধান চালিয়ে
প্রতিবেদন তৈরী ও প্রকাশ করে ঘুষ-দুর্ণীতি প্রতিহত করা সাংবাদিকের নৈতিক
দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন কাজ শুরু ও প্রতিবেদন তৈরীর বিষয়টি বুঝতে পেরে
ওসি সাকিলা আলোচিত ওসি প্রদীপের মত ধর্ষনের ঘটনা আড়াল করে
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তরীঘরি কওে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা ও
গ্রেফতার অভিযান চালিয়েছে। বীরগঞ্জ প্রেসক্লাব-ইন্সিপেক্টর সাকিলা পারভীনের ঘুষ-দুর্নীতি অপকর্মের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য দাবি করছে এবং তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির জোর দাবি করছে।

 

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *