শিরোনাম

17 Apr 2021 - 09:21:33 am। লগিন

Default Ad Banner

ফুলবাড়ীর আলোচিত নৈশপ্রহরী বাদশা হত্যাকান্ড, প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রকৃত খুনিকে চিহ্নিত করা যাবে মর্মে দাবি উঠেছে

Published on Saturday, April 25, 2020 at 3:43 am 324 Views

দুলাল হোসেন :   দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার বেতদিঘী ইউপি’র পুইনন্দা গ্রামে গত ২৩ জানুয়ারী পুকুরের নৈশ্যপ্রহরী বাদশা (৫০) দূর্বিত্তের ছুরিকাঘাতে খুন হন।

এই ঘটনায় ফয়জুল ইসলাম নামে অপর এক নৈশ্যপ্রহরী দাবী করেছেন, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই আলোচিত খুনের প্রকৃত খুনিদের দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ফলে নির্দোষ নিরীহ মানুষরা হয়রানি থেকে বাঁচবে।
লিখিত ভাবে দিনাজপুর পুলিশ সুপার বরাবর এমন একটি আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ফয়জুল ইসলাম। তিনি তার ঐ আবেদনে বলেন, বাদশা পিতা- আঃ সামাদ সাং আরজি শাহপুর,ও আমি অত্র আবেদনকারী সহ মোট ৬ জন পাশ্ববর্তী পুইনন্দা গ্রামের আব্দুলের পুত্র রানার ৬ টি পুকুরে নৈশ্যপ্রহরী হিসেবে চাকরি করি।রানা আমাদের ম্যানেজার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে।মূলত তার নিয়ন্ত্রণে আমরা ৬ জন দায়িত্ব পালন করি।ঘটনার দিন নিহত বাদশা আমাকে ফোন দিয়ে ডেকে নিয়ে বনভোজনের তার অংশের টাকা পরিশোধ করে।ঐদিনগত রাতে অনুমান ১০ টার সময় ম্যানেজার রানা ও তার দুই সহযোগী মিলন পিতা -আবুল, মোস্তাফিজার রহমান পিতা- মঈনুদ্দিন উভয়ের সাং ভাটপাইল ( নয়াপাড়া) আমার সাথে রাস্তায় দেখা করে।এরপর রানার হাতে থাকা একটি টিফিন ক্যারিয়ার আমার হাতে দিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়িতে যাবার পরপরই কোন কারণ ছাড়াই মিলন ও মোস্তাফিজার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়।এরপর ম্যানেজার রানা আমার হাতে থাকা টিফিন ক্যারিয়ার নিয়ে একটি বাটি থেকে প্লেটে করে মাংস ও পোলাও আমাকে পরিবেশন করে।অন্য বাটি থেকে সে নিজেও খায়।আমি খাওয়া শেষ করে তার বাড়ি থেকে বের হয়ে সোজা আমার দায়িত্বে থাকা পুকুরে পৌঁছার পরপরই বুঝতে পারি আমার ঘুমে চোখ বন্ধ হয়ে আসছে।এমতাবস্থায় পুকুর সংলগ্ন ঘরে আমি শুয়ে পড়ি।
পরদিন সকাল ৮ টার পর ঘুম ভেঙে লোকমুখে জানতে পারি, কে বা কারা বাদশাকে খুন করেছে। পরবর্তীতে আমি আরও জানতে পারি, রাত ১ টার পরে কে বা কারা আমার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নিহত বাদশার সাথে কথা বলেছে।পরবর্তীতে আমি অফিস থেকে কল লিস্ট সংগ্রহ করে অবগত হই যে, ঘটনার দিন রাত ১ টা ২৭ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে  আমার মোবাইল ফোন যার নং ০১৭৯২৮৩৯২৩৮ থেকে সর্বশেষ ২৮ সেকেন্ড নিহত বাদশার ফোনে কথা বলেছে।আমার বিশ্বাস, খুনিরা পরিকল্পিত ভাবে আমাকে অচেতন করে আমার ফোন ব্যবহার করে  নিহত বাদশার অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছে।
এই ঘটনাটির ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার রাতে আমার ফোন ব্যবহার কারীর ভয়েস কল রেকর্ড সংগ্রহ করে যাচাই করলেই প্রকৃত খুনি সনাক্ত করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।
আবেদনকারী আরও বলেন,রানার সহযোগী  মোস্তাফিজার রহমান এর বাবা মঈনুদ্দিন কয়েকদিন যাবৎ আমাকে বলেন যে, তার ছেলের কিছুই হবে না।যেহেতু আমার মোবাইল থেকে কল করা হয়েছে এজন্য এই হত্যার দায় আমার উপরই বর্তাবে।
ফলে তিনি (ফয়জুল)নিরুপায় হয়ে ন্যায় বিচারের সার্থে ঘটনাস্থলে উচ্চ পর্যায়ের তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ও ভয়েস কল রেকর্ড সংগ্রহ করে  প্রকৃত খুনিদের সনাক্তের জন্য দিনাজপুর পুলিশ সুপার বরাবর এই আবেদন করেন।
Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *