02 Dec 2021 - 03:25:04 am। লগিন

Default Ad Banner

ফুলবাড়ীতে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

Published on Saturday, November 16, 2019 at 2:05 pm 124 Views

ভাম্রমান প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে শুক্রবার প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২৫০ টাকা থেকে ২৬০ টাকা, একই সাথে পাল্লাদিয়ে বেড়েছে শীতের কাচাঁ শাক-সবজির দামও।

এদিকে হঠাৎ প্রতিকেজি পিয়াজে ১০০ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায়, পিঁয়াজের বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালিয়েছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরী।

এসময় পিয়াজের ক্রয়মূল্য প্রদর্শন করতে না পারায়, ভোক্ত অধিকার আইনে ফুলবাড়ী কাচাঁবাজারের মিহির চন্দ্র নামে এক পাইকারী পিয়াজ ব্যবসায়ীর ৫হাজার টাকা জরিমানা করেছেন, ভ্রাম্যমান আদালত।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরী বলেন, পিয়াজের ব্যবসায়ীরা আমদানী মূল্য প্রদর্শন না করে ইচ্ছেমত পিয়াজের মূল্য বৃদ্ধি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ফুলবাড়ী পৌর বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত তিন দিনের ব্যবধানে প্রতিকেজি পিয়াজের মূল্য ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা বেড়ে দাড়িয়েছে ২৫০ টাকা থেকে ২৬০ টাকা। একই সাথে পাল্লাদিয়ে বেড়েছে কাচাঁ সাক-সবজির দামও, গত দুই দিন আগে যে ফুলকপি প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা, সেই ফুলকপি প্রতিকেজির মূল্য ৬০ টাকা, একই ভাবে বেড়েছে বাঁধাকপি, পোটল, আলু, সীম,পাতা পিয়াজ, করল্লা, গাজর, বেগুন, রসুন, টমাটো ও আদাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাচাঁ-সাক-সবজির দাম।

পৌর বাজারে বাঁধাকপি বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ৪০ টাকা, পোটল ৪০ টাকা, আলু ৪০টাকাু, সীম ৬০ টাকা, পাতা পিয়াজ ১০০ টাকা, করল্লা ৬০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, রসুন ১৬০ টাকা, টমাটো ১০০ ও আদা ২৪০ টাকা কেজি দরে।

অথচ গত দুই দিন আগেও বাঁধাকপি বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ২০ টাকা, পোটল ২৫ টাকা, আলু ৩০ টাকা, সীম ৪০ টাকা, পাতা পিয়াজ ৬০ টাকা, করল্লা ৪০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, বেগুন ২০ টাকা, রসুন ১৬০ টাকা, টমাটো ৬০ টাকা ও আদা ২০০ টাকা কেজি দরে।

সবজি ব্যবসায়ী আতাউর রহমান বলেন, বর্তমানে কাচাঁ সবজির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায়, পাইকারী বাজারে সবজির আমদানী কমে গেছে, যার ফলে সবজির দাম হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার সবজির পাইকারী বিক্রেতা হামিদুল ইসলাম বলেন, চারিদিকে আমন ধান কাটা শুরু হওয়ায়, সবজির চাহিদা বেড়েছে, বর্তমানে সবজি দেশের দক্ষিনাঞ্চরে রপ্তানী হচ্ছে এই কারনে বাজারে সবজির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।

পিয়াজ ব্যবসায়ী নিঞ্জন কুমার বলেন পিয়াজের চাহিদার তুলুনায় আমদানী অনেক কমে গেছে, আবার আমদানী কৃত পিয়াজ সমুদ্র বন্দর থেকে নিয়ে আসতে পরিবহন খরছ অনেক বেশি হচ্ছে, এতে পিয়াজের মুল্য ও ঘাটতি দুটোয় বেড়ে যাচ্ছে, এই কারনে পিয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই পিয়াজ ব্যবসায়ী আরো বলেন, পাশবর্তী রাষ্ট্র ভারত থেকে পিয়াজ আমানী করা হলে পরিবহন খরছ কমে যায়, এতে ঘাটতিও কমে যায়, কিন্তু মিয়ানমান, মিশরসহ অনান্য রাষ্ট্র থেকে পিয়াজ আমদানী করায় পরিবহন খরছ ও ঘাটতি বেড়ে যায়, যারফলে পিয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পায়।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *