16 Sep 2021 - 05:45:48 pm। লগিন

Default Ad Banner

ফুলবাড়ীতে জনসাধারনের ভোগান্তি, প্রায় সময় বিদ্যুৎ বঞ্চিত গ্রাহকরা

Published on Monday, August 5, 2019 at 5:24 am 278 Views

ফুলবাড়ী থেকে হারুন-উর-রশিদঃ   ফুলবাড়ীতে বিদ্যুত গ্রাহকেরা নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোষ করলেও প্রায় সময় নেসকো কোম্পানির বিদ্যুৎ পাচ্ছেনা স্থানীয় জনগন। দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড ফুলবাড়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ আবাসিক প্রকৌশলী দপ্তরে জনবল থাকলেও প্রায় সময় বিশেষ এলাকাগুলিতে বিদ্যু পাচ্ছেনা গ্রাহকেরা।

বিশেষ করে ফুলবাড়ী ব্রীজের পশ্চিম দিকে শিল্প কল কারখান গড়ে উঠলেও তাদের বিদ্যুতের লাইগুলি আলাদা করে দেওয়ার কারণে তারা নিয়মিত বিদ্যুৎ পাচ্ছে। কিন্তু আবাসিক বাড়ীগুলিতে বিদ্যুতের লাইন আলাদা থাকায় বঞ্চিত হচ্ছে সাধারন জনগন। মাস গেলে বিশেষ করে আবাসিক নন-আবাসিক এলাকা থেকে নেসকো কোম্পানি বিদ্যুতের লক্ষ লক্ষ টাকার বিল পেলেও জনসাধারন তেমন কোন সেবা পাচ্ছেনা।

বিদ্যুৎ অফিসে জনসাধারনকে সেবা দানের কোন হট লাইন নাই। এছাড়া অভিযোগ বক্স নাই। টেলিফোন লাইনে অভিযোগ করলেও ঘন্টার পর ঘন্টা টেলিফোন বাজলেও কেউ ধরেনা। বে সরকারি ভাবে কয়েক জন লাইনম্যান রয়েছেন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিদ্যুতের পোলে বা বাড়ীতে কোন সমস্য দেখা দিলে তাদেরকে ডেকে এনে কাজ করে নিতে হয়। এতে বাড়তি কিছু দিতে হয়।

আবাসিক এলাকার গ্রাহকেরা অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়ীতে নেসকো কোম্পানির বিদ্যুতের সংযোগ মিটারে রয়েছে। মিটার রিডারেরা ঠিকমত মিটার না দেখে অতিরিক্ত বিল করে দিচ্ছে। এতে বিদ্যুৎ গ্রহকদের কে হয়রানি হতে হচ্ছে। ফুলবাড়ী নেসকো কোম্পানির বিদ্যুৎ সরবরাহ অফিসে কর্মরত প্রকৌশলী ঠিকমত অফিস করেন না। মাস গেলে কোম্পানির মাইনে ঠিকে গুনিচ্ছেন ঐ কর্মকর্তা। তিনি কোন জনসাধারনকে সেবা দিচ্ছেন না।

ফুলবাড়ী এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন এলাকায় প্রায় কয়েক হাজার বিদ্যুতের লাইন বাশের খুটি, ইউকলেক্টরের গাছের খুটি দিয়ে নিয়েছেন, তারা ঝুকির মধ্যে রয়েছেন। যেমন ফকিরপাড়া, মাছুয়া পাড়া, সুজাপুর, ঘাটপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায়। ঐ এলাকায় নেসকো কোম্পানির কোন খুটি বসানো হয়নি।

এসব কাজকর্ম নেসকো কোম্পানির ফুলবাড়ী আবাসিক প্রকৌশলী তদারক করেন না ও পোল দেওয়ার ও কোন প্রয়োজন  মনে করেন না।ঐ এলাকার জনসাধারণ ফুলবাড়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ অফিসে অভিযোগ করে পায়ের জুতো ক্ষয় করেছেন। টাকা যেখানে আছে সেখানে আবাসিক প্রকৌশলী কাজ করেন, টাকা যেখানে নাই সেখানে তিনি কাজ করেন না।এ ব্যাপারে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *