শিরোনাম

13 Apr 2021 - 05:13:59 pm। লগিন

Default Ad Banner

ধর্ষনের ঘটনা আপোষের নাটক সাজিয়ে ফাঁকা ষ্ট্যাম্পে  স্বাক্ষর নিয়ে বীরগঞ্জে বিএনপি নেতা খালেক চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছে

Published on Thursday, October 8, 2020 at 8:53 pm 77 Views

 

মোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : বীরগঞ্জে বিএনপি নেতা খালেক চেয়ারম্যান ধর্ষনের ঘটনা আপোষের নাটক সাজিয়ে ফাঁকা ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর
নিয়ে সাংবাদিকদের মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছে। উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর কল্যানী গ্রামের রিক্স -ভ্যান চালক খায়রুল ইসলামের স্ত্রীকে রিলিপের চাউল
দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বৈঠক ঘরে আটকিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূবক ধর্ষন করে। ধর্ষনের ঘটনা প্রকাশ করলে স্বামীসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি প্রদর্শন
করে। এ ঘটনায় গত ২৩ অক্টোবর/২০১৯ইং থানায় ধর্ষনের মামলা নেয়নি।
পরিবারের সদস্যরা ভিকটিমকে নিয়ে দিনাজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে সাক্ষাত করে বিষয়টি অবগত করেন। পুলিশ সুপার বিষয়টি আমলে নিয়ে ওসি’কে
মোবাইল ফোনে মামলা গ্রহনের নিদের্শ দিয়ে ভিকটিমকে থানায় পাঠিয়ে দেন। ওসি জেলা পুলিশ সুপার নিদের্শ পদদোলিত করে ধর্ষক খালেক চেয়ারম্যানকে

 

থানায় ডেকে এনে ধর্ষিতার সাথে মুখোমুখী করে ২’টি মোবাইলে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে (সোনা গাজির মত) ভিডিও ধারন করেন এবং ধর্ষক খালেক
চেয়ারম্যান এবং ওসি সাকিলা পারভীন নিজে ভিকটিমকে অশ্লীল ভাবে গালাগালি করে থানা থেকে বের করে দেয়। নিরুপায় অসহায় ভিকটিমের বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে
এসে সাংবাদিকদের কাছে বিষয়ের বর্ণনা করেন ও তাদরে লিখিত অভিযোগের ফটোকপি প্রদান করে সংবাদ প্রচার করার জন্য বিনিত অনুরোধ ও কান্নাকাটি করেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সরেজমিনে গিয়ে ধর্ষনের বিষয়ে প্রতিবেশী-শাহিনুর ইসলাম,
আফসার আলী, মুকিদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম, হাফিজুল ইসলাম, সিদ্দিক আলী,
ইউনিয়ন লিডার নুরিয়াস সাঈদ সরকার ও প্রভাষক আনিছুর রহমান আনিসের সাথে যোগাযোগ করলে তারা সকলেই ধর্ষনের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ন্যায়
বিচারের দাবি জানান। সরেজমিনে গিয়ে সংবাদের সত্যতার প্রমান পাওয়া যায়। সেই মোতাবেক ধর্ষনের ঘটনা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করার পরেও থানায়
মামলা নেওয়া হয়নি মর্মে দৈনিক করতোয়া, দৈনিক জনমত সহ পত্রিকায় সংবাদ প্রচার করা হয়। এই সত্য সংবাদ প্রকাশের পর অভিযুক্ত ধর্ষক খালেক
চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিম তার  স্বামী খায়রুল ও আত্মীয় স্বজনকে পার্শ্ববর্তী বাবুল মহুরীর বাড়ীতে তুলে এনে গত ২৪ অক্টোবর/২০১৯ইং সকালে আপোষের নামে
নাটক সাজায়। অভিযুক্ত ধর্ষক খালেক চেয়ারম্যান ভিকটিমসহ আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে উপস্থিত সকলের কাছে হাতজোর কওে
নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন ও ধর্ষনের ঘটনার আপোষের ঘোষনা প্রকাশ করা হয়।
আপোষের ঘোষনা মোতাবেক অভিযুক্ত ধর্ষক খালেক চেয়ারম্যান ভিকটিম ও তার স্বামী, প্রতিবেশী আফসার আলী সহ অন্যদের ফাঁকা ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়। এ ঘটনার ওই
দিন রাতে (ফাকা ষ্ট্যম্প এফিডেফিট বানিয়ে) পাঁচলক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে আমাকে (মোঃ আবেদ আলী) প্রেসক্লাবের সভাপতি ও যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ মোশাররফ হোসেনকে পৌরসভা হাটখোলা থেকে গ্রেফতার করে থানা হাজতে আটকে রেখে নাম, পিতা- মাতার নাম শুনে মিথ্যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে
মামলা রেকর্ড করা হয়। ওই দিন রাত সারে ১১টায় ধর্ষনের ঘটনা আড়াল করার জন্য
সাবেক ওসি সাকিলা পারভীনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নিয়ে আমাদের বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে ঘুমন্ত লোকজনের সাথে দুর্ব্যবহার ও জিনিষপত্র ভাংচুর করেন।
শোওয়ার ঘর, ড্রয়িং রুমের লকার-ড্রয়ার ভেঙ্গে ফেলে ও বিছানা তছনছ করে মুলবান দলিল, কাগজপত্র, ল্যাপটপ, মোবাইল ও টাকা নিয়ে যায়। ওসি সাকিলা থানায় ফিরে এসে ধর্ষক সহ একদল সন্ত্রাসীকে ডেকে এনে থানা হাজতের সামনে এসে
ধর্ষক খালেক আংগুল তুলে উচ্চস্বরে আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে ও বলে হাজত থেকে বের হলে তোর হারগোর ভেঙ্গে মাংস আলাদা করে ফেলব। আমি তাৎক্ষনিক ভাবে ডিউটি অফিসারকে বিষয়টি জিডি করার অনুরোধ
করেছি কিন্ত ঘুষখোর ওসি জিডি গ্রহন করেনি। উল্লেখিত ঘটনায় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর ঢাকা বরাবর অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে একাধিকবার তদন্ত সন্তোষজনক হলেও। সর্বশেষ ১লা অক্টোবর দিনাজপুর জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সচীন চাকমার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত তদন্ত
নিরপেক্ষ হয়নি বলে বাদীপক্ষ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

 

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *