শিরোনাম

15 Apr 2021 - 02:24:59 am। লগিন

Default Ad Banner

ধর্ষনকারী খালেক চেয়ারম্যান সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাকে মামলায় ফাঁসিয়ে নিজেও মামলায় ফেঁসে গেছে বীরগঞ্জে দুই ধর্ষিতার সাথে বউ-বেটি রিলেশন

Published on Monday, April 5, 2021 at 9:27 pm 11 Views

 

মোঃ আবেদ আলী, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : বীরগঞ্জে ধর্ষনকারী
খালেক চেয়ারম্যান সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাকে মামলায় ফাঁসিয়ে নিজেও মামলায় ফেঁসে দুই ধর্ষিতার সাথে বউ-বেটি রিলেশন করে সাধু বনার চেষ্টা করছে।
প্রথমত-বীরগঞ্জ থানা সুত্রে জানা গেছে, গত ১৮ অক্টোবর/২০১৯ইং এক রিক্সা  ও ভ্যান চালকের স্ত্রীকে রিলিপের চাল দেওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজ বাড়ীতে ডেকে এনে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। ধর্ষিতা,তার স্বামী ও স্বজনেরা থানায় মামলা করতে গেলে তৎকালিন ওসিকে মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে মামলা নিতে দেয়নি। নিরুপায় ভিকটিম ও স্বজনেরা জেলা পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাত করে বিষয়টি অবহিত করে।
তৎকালিন পুলিশ সুপার ধর্ষন মামলা গ্রহনের জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়ে থানায় পাঠিয়ে দেন।ভিকটিম ও স্বজনেরা থানায় ফিরে আসলে ওসি মামলা না নিয়ে ধর্ষক
খালেক চেয়ারম্যান থানায় ডেকে এনে ধর্ষিতার মুখোমুখি করে তাদেরকথোপ-কথন দুটি মোবাইলে ভিডিও ধারন ও গালমন্দ করে থানা থেকে বের করে দেয়। অবশেষে তারা বীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে গিয়ে থানায় দেয়া অভিযোগের ফটো কপি দিয়ে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য অনুরোধ করেন। অভিযোগ পেয়ে একদল সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গেলে শাহিনুর ইসলাম, হাফিজুল ইলাম, আফসার আলী, সিদ্দিক হোসেন, মুকিত পারভেজ ও
শরিফুল আসলাম সহ অনেকে উল্লেখিত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খালেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ধর্ষিতা ও পরিবারের লোকজনকে পার্শ্ববর্তী বাবুল মহুরীর বাড়ীতে তুলে এনে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে ধর্ষক খালেক চেয়ারম্যান ঘটনার জন্য অনুতপ্ত হয়ে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে। অপরাধের জন্য খেসারত হিসেবে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা র‌্যায়ে পাকা বাড়ী নির্মান, তাৎক্ষনিক ভাবে চার বস্তা চাল, একটি নলকুপ স্থাপনসহ সরকারী সুযোগ সুবিধা প্রদানের অঙ্গিকার করে আপোষে নামে একাধিক ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর গ্রহন করেছে। উল্লেখিত ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়। খালেক চেয়ারম্যান সত্য ঘটনাকে মিথ্যা বানিয়ে ঘুষখোর ওসি সাকিলা পাভিনের সহযোগিতায় স্বাক্ষরিত ফাঁকা স্ট্যাম্প দিয়ে ধর্ষিতার কাছে সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা এফিডেফিট তৈরী করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুইজন সাংবাদিকসহ ও ৮ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। ধর্ষক খালেক চেয়ারম্যান ধষিতার সাথে মেয়ে রিলেশন করে নিজেকে সাধু বনার নাটক সাজিয়েছে। এলাকাবাসী লম্পট চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিচার দাবি করে দৃষ্টান্ত মুল শাস্তির জোর দাবি জানান।

দ্বিতীয়ত-বীরগঞ্জ থানা সুত্রে জানা গেছে, অপর ঘটনা ডিসেম্বর/২০২০ইং মামলা নং-১৬(১২)২০২১ইং, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী/০৩ইং) এর ৯(১)/৩০ তৎসহ ২০১২ইং সালের পর্ণগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইনের ৮(১)ধারায় দায়েকৃত মামলার ভিকটিম ও বাদীর  স্বামী- মোঃ শরিফুল ইসলাম পিতা-মোঃ আব্দুল হানিফ গ্রাম-দামাইক্ষেত্র মোবা-(০১৭৭৮-১৬৪৬৬৩) থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি
নং-১৩৩৮ তারিখ-৩০/১২/২০২১ইং মোতাবেক অভিযোগ করেন গত ২৯ ডিসেম্বর রাত ১০টায় উচ্চ আদালত থেকে সাময়িক জামিনে মুক্তি পেয়ে শতাধিক মটরবাইক ও মটর সাইকেল নিয়ে বীরগঞ্জ পৌর শহরের জননী ফিলিং স্ট্রেশন থেকে কল্যানী হাট পর্যন্ত হাত নেরে আনন্দ মিছিলসহ উল্লাস করেছে। ওই রাতেই মামলা আসামী-ধর্ষক খালেক চেয়ারম্যান পিতা মৃত হাজী তছলিম গ্রাম সৈয়দপুর কল্যানী, সহযোগি আসামী-নখাপাড়া গ্রামের-মৃত দেলায়ার হোসেনের ছেলে মোঃ আব্দুর রশিদ ও দাড়িয়াপুর
গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে প্রভাষক রবিউল ইসলাম আদালতে বিচারাধিন মামলার তুলে নেওয়ার জন্য ভিকটিম ও বাদী মোছাঃ মর্জিনা খাতুন (২৪), তার স্বামী মোঃ শরিফুল ইসলাম (২৮) ও পরিবারের লোকজনকে এবং এজাহারে উল্লেখিত স্বাক্ষীদেরকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি প্রদান করে। মামলা তুলে না নিলে ভিকটিম ও বাদীসহ স্বাক্ষীদের গ্রাম ছাড়া করবে, নতুবা হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিবে বলে বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছে। খুন ও গুম করার হুমকির কারনে তারা নিরঘুম রাত্রি যাপন করছে। জিডি নং-১৩৩৮ তারিখ-৩০/১২/২০২১ইং এর স্বাক্ষী-প্রভাষক মোঃ রফিকুল ইসলাম আসলাম পিতা মৃত-মফেল উদ্দিন গ্রাম- দাড়িয়াপুর, মোঃ আশরাফুল ইসলাম পিতা মৃত-কাওছার আলী ও মোঃ শাহিনুর ইসলাম পিতা মৃত-নাসির উদ্দিন উভয় গ্রাম-সম্ভুগাঁও উল্লেখিত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একাধিক নারী ধর্ষনকারী খালেক চেয়ারম্যান ও তার সহযোগিদের ভয়ে ২৩ দিন ধরে ভিকটিম মর্জিনা ও তার স্বামী শরিফুলসহ পরিবারের সদস্য ও স্বাক্ষীরা বাড়ীঘর ফেলে রেখে প্রান ভয়ে
পালিয়ে বেড়াচ্ছে। থানা পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিতে পারছেনা, জরুরী ভিত্তিতে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষে আশু হস্তক্ষেপসহ ধর্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সুষ্ঠ তদন্ত ও দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির জোর দাবি জানান তারা। উল্লেখ্য- উপজেলার বলরামপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসি মর্জিনা দুই রিক্সায় চলাচল করার সুত্রধরে ভালবাসা নিয়ে রিক্সা চালকদের ঝগরা হয়। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই যুবতী ইউপি কার্যালয়ে দুই রিক্সা চালকদের বিরুদ্ধে বিচার দেয়। এ ঘটনায় মর্জিনার সাথে খালেক চেয়ারম্যানের সাথে মর্জিনার প্রথম পরিচয় হয়। এরপর থেকে ওই যুবতীর প্রতি খালেক চেয়ারম্যানের লোলুপ দৃষ্টি।সৌদি প্রবাসী যুবতী বাংলাদেশে ফিরে আসলে লম্পট খালেক চেয়ারম্যানের লোলুপ দৃষ্টির ভয়ে পরিবারের লোকজন চাচাতো ভাই শরিফুল ইসলামের সাথে দামাইক্ষেত্র গ্রামে গত ১৪ ডিসেম্বর/২০২০ইং বিবাহ দেয়। আলোচিত ধর্ষনের ঘটনা আড়াল করতে স্বামী থাকা সত্বেও ১২ ফেরুয়ারী/২০২১ইং মরিচা কাজী অফিসে ধর্ষিতার সাথে বিবাহের কাবিন নামা সৃষ্টি করেছে বলে প্রকাশ করেছে। ধর্শপ্রান মুসলিম
সম্প্রদায়ের প্রশ্ন প্রায় দুই মাসের মধ্যে কি ভাবে এক যুবতীর সাথে দুই পুরুষের বিবাহ হয় ?

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *