21 Oct 2021 - 05:42:03 am। লগিন

Default Ad Banner

দিনাজপুর মেডিকেলে হৃদপৃন্ডের ধমনীতে বড় রিং (স্টেন্ট) সফল প্রতিস্থাপন

Published on Sunday, November 10, 2019 at 4:04 pm 134 Views

সরকার মোহা. কামরুজ্জামানঃ দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও বাংলাদেশ রেডিয়াল ইন্টারভেশন কোর্সের(বিআরআইসি) উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী কমপ্লেক্স ট্রান্সরেডিয়াল ইন্টারভেশন ও পিটিএমসির লাইভ ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়।

এই ওয়ার্কশপের অধীনে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাথল্যাবে ৫ টি সিটিও, ২ টি ক্যালসিফাইড ও ২ টি সিম্পল রিশনসহ মোট ৯ জন রোগীর হাতের রক্তনালীর মাধ্যমে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ডিসটাল রেডিয়াল ও আলনার রুট ব্যবহার করে হৃদপৃন্ডের ধমনীতে সরকার নির্ধারিত স্বল্পমূল্যে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে ২ জন রিউম্যাটিক হার্ট ডিজিজ সরু হার্টভাল্ব(মাইট্রাল স্টেনোসিস) রোগীর পিটিএমসি প্রসিডিউরের মাধ্যমে সফল ভাবে চিকিৎসা করা হয়।

দিনাজপুর পর্যটন মটেল ও দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ ও ৯ নভেম্বর শুক্র ও শনিবার দুই দিন ব্যাপী এই ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশে লাইভ ওয়ার্কশপের মাধ্যমে এত রোগীর ট্রান্সরেডিয়াল রুটে স্টেন্ট সফল ভাবে প্রতিস্থাপন এটাই প্রথম।

দুই দিন ব্যাপী ওয়ার্কশপে উপস্থিত ছিলেন দেশবরেন্য ইন্টারভেশনাল কার্ডিওলজিষ্ট, ব্রিক(বিআরআইসি)এর কোর্স ডাইরেক্টর, বিএসসিআই এর সেকেটারী জেনারেল এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডাঃ মীর জামাল উদ্দিন, ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসাপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ সিএম শাহীন কবির ও এনআইসিভিডির ইন্টারভেশনাল কার্ডিওলজিষ্ট ডাঃ মোঃ সাকীফ শাহরিয়ার।

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এএফ খবির উদ্দিন আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শাহরিয়ার কবীর ও ডাঃ মোঃ বসির উদ্দিনসহ হৃদরোগ বিভাগের পুরোটীম সহযোগীতায় ছিলেন।

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাথল্যাবে উক্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) প্রফেসর ডাঃ নাসিমা সুলতানা। এ সময় তিনি সন্তুটি প্রকাশ করে কার্ডিওলজি বিভাগের কার্যক্রমের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

অধ্যাপক ডাঃ মীর জামাল উদ্দিন বলেন, পায়ের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করলে রোগীর প্রচন্ড কষ্ট হয়। দুই তিন দিন হাটতে পারেনা । অনেক সময় রক্তক্ষরণসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু হাতের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করা হলে রোগীর কোন কষ্ট হয়না। জটিলতা নেই বললেই চলে। রোগীর ঝুকি কম থাকে।

লাইভ ওয়ার্কশপের মাধ্যমে এত রোগীর ট্রান্সরেডিয়াল রুটে স্টেন্ট ওয়ার্কশপের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চাইলে সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শাহরিয়ার কবীর বলেন, আমি আগেও হাতের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করেছি। জটিল রোগীদের ক্ষেত্রে এটা করার সাহস পেতাম না। কিন্তু এই ওয়ার্কশপে যে অভিজ্ঞতা অর্জন হল তা দিয়ে আমি এখন অনেক ঝুকিপূর্ণ রোগীরও হাতের মাধ্যমে রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করতে পারব। যাতে করে রোগীর কষ্টও কম হবে, সময় কম লাগবে ও রোগীর অর্থনৈতিক সাশ্রয় হবে।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *