শিরোনাম

15 Apr 2021 - 02:02:49 am। লগিন

Default Ad Banner

ডিমলায় পৃথক স্থান থেকে এক কলেজ ছাত্রী ও গৃহবধুর লাশ উদ্ধার

Published on Tuesday, October 6, 2020 at 10:07 pm 65 Views

মোঃ শাহিনুর রহমান ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর ডিমলায় রিমু আক্তার (১৭) নামের এক কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। রিমু ডিমলা সরকারী মহিলা মহাবিদ্যালয়ের এইচ,এস,সি ১ম বর্ষের শিক্ষর্থী ও উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের রূপাহারা গ্রামের মেডিকেল মোড় সংলগ্ন এলাকার মোঃ মজিবুল ইসলাম (বোগা) এর মেয়ে। সে সোমবার (৫-অক্টোবর) বিকাল আনুমানিক ৩টায় বাবা-মায়ের অজান্তে নিজ বাড়ীর শ্বয়ন ঘরের ¯^রের সাথে তার পড়নের ওড়ঁনা গলায় পেচিঁয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মেয়েটির আত্মহত্যার বিষয়টি রহস্যজনক। উক্ত বিষয়ে ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, কলেজ শিক্ষর্থীর আত্মহত্যার বিষয়টি আমি যেনেছি কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি, তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। অপরদিকে একইদিনের বিকেলে ডিমলা সরকারি হাসপাতালে দুই সন্তানের জননী মুক্তা চন্দ্র রায়(২৮) নামের এক গৃহবধুর লাশ রেখে পালিয়ে যায় তার স্বামীর পরিবারের লোকেরা। ওই গৃহবধু উপজেলার ডিমলা সদর ইউনিয়নের ভাটিয়া পাড়ার প্রভাতি গ্রামের মৃত, রমেশ চন্দ্র
রায়ের ছেলে মাছ ব্যবসায়ী সুমন চন্দ্র রায় ওরফে ঘুঘুর স্ত্রী ও নীলফামারী সদরের কবরস্থান মোড় সংলগ্ন সওদাগর পাড়ার নরেশ চন্দ্র রায়ের মেয়ে। পুলিশ হাসপাতালে ওই গৃহবধূর লাশের প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের রাতে লাশ জেলা মর্গে প্রেরণ করা হয়। ওই গৃহবধুর পিতার পরিবার অভিযোগ করে বলেন,প্রায় ১০ বছর আগে মুক্তার সাথে সুমনের পারিবাড়িক ভাবে বিবাহ হয়।বিবাহের কিছু বছর পর থেকেই কারনে-অকারনে তার স্বামী ও শশুর পরিবারের লোকেরা মুক্তাকে অমানবিক নির্যাতন করত। কিন্তু আমরা তার দুটি সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে নিরবে তা মেনে নিয়ে মুক্তাকে একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে বলে বুঝিয়ে আসতাম। ঘটনার দিন মুক্তাকে তার স্বামী ও তার স্বামীর পরিবারের লোকেরা অমানবিক নির্যাতনের এক পর্যায়ে তার অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে রশিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে দেবর সুধিরসহ কয়েকজন তাকে ডিমলা সরকারি হাসপাতালে আনলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করায় লাশ হাসপাতালে রেখে সে সহ অন্যরা পালিয়ে যায়। আমরা এলাকাবাসীর মারফৎ খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যাই। আমরা এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এদিকে মৃত কলেজ ছাত্রীর ঘটনাস্থল ও গৃহবধুর লাশের ঘটনাস্থল (হাসপাতাল) পরিদর্শন করেছেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডোমার-ডিমলা সার্কেল)জয়ব্রত পাল,ডিমলা থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম। এ ব্যাপারে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ডিমলা থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন,পৃথক
দুটি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দুটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে । যার মামলা নং- ২৫ ও ২৬।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *