শিরোনাম

13 Apr 2021 - 11:13:28 pm। লগিন

Default Ad Banner

ট্রাফিক সিস্টেমকে আধুনিকায়ন করা হবে

Published on Thursday, March 23, 2017 at 9:12 pm 270 Views

জাপানের জাইকা’র অর্থায়নে সিটি গভর্নেন্স প্রকল্পের অধীনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়ন ও ইনক্লুসিভ নগর পরিচালনা কর্মসূচি (ওঈএওঅচ) সঠিকভাবে বাস্তবায়নের লক্ষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ১০৩ সদস্য বিশিষ্ট সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটির (ঈঝঈঈ) ৬ষ্ঠ সভা ২২ মার্চ দুপুরে নগর ভবনের কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে কমিটির সভাপতি ও মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কমিটির সদস্য সচিব ও সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল হোসেন, কমিটির সদস্য কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ার, সুপ্রভাত বাংলাদেশের সহযোগী সম্পাদক এম নাসিরুল হক, বিজিএমইএ’র প্রথম সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন আহমদ মিন্টু, চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, আই ই বি’র সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, আইইবি’র চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এম এ রশিদ, চেম্বার পরিচালক অহিদ সিরাজ স্বপন, সিজিপি’র প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, ডেপুটি টিম লিডার মো. মুজিবুর রহমান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, প্রনয়ন এর প্রধান স’পতি সোহেল মাহমুদ শাকুর, এডিশনাল পিপি মিলি চৌধুরী, সিডিসি’র টাউন ফেডারেশনের চেয়ারপারসন ঊষা দে, ওমেন চেম্বার পরিচালক রেখা আলম চৌধুরী, কাউন্সিলর মো. হাবিবুল হক, হাসান মুরাদ বিপ্লব, সাইয়্যেদ গোলাম হায়দার মিন্টু, তারেক সোলায়মান সেলিমসহ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপসি’ত ছিলেন।
সভায় ৫ম সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন এবং ৬ষ্ঠ সভার এজেন্ডা সমূহের মধ্যে সেক্টর ভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিত করণ ও অগ্রাধিকার বিষয়ে আলোচনা, জাইকার অর্থায়নে অবকাঠামো উন্নয়নের অগ্রগতি ও সমস্যা সমূহ হালনাগাদ বিষয়ে আলোচনা, রাজস্ব আদায় গতিশীল করার লক্ষ্যে রাজস্ব আদায়, অগ্রগতি ও হালনাগাদ তথ্য সমূহ আলোচনা, নাগরিক সমস্যা সমাধানে নারীদের ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা, ডব্লিউ এল সিসি চিহ্নিত ওয়ার্ড ভিত্তিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সমস্যা চিহ্নিত করণ বিষয়ে আলোচনা, সিআরসি জরিপ ও সিআরসি রিপোর্টকার্ড এর অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা, নাগরিক সেবা সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা এবং বিবিধ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।


সভাপতির বক্তব্যে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন জাইকা’র অর্থায়নে চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়নের অধীনে নগরীর এয়ারপোর্ট রোডে নির্মাণাধীন ৩টি ব্রিজের যাবতীয় তথ্য উপাত্ত তুলে ধরে বলেন, প্রথম ধাপে জাইকা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ২ শত ১ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। দ্বিতীয় ধাপে ৪ শত ৩৪ কোটি টাকার প্রকল্প বিবেচনাধীন রয়েছে। তন্মধ্যে পোর্ট কানেকটিং রোড এবং আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, ফ্লাইওভার এবং ৬টি স্কুল কাম কমিউনিটি সেন্টার অন্যতম। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ ও আন্তরিক স্বদিচ্ছার কারণে জাইকা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে উন্নয়নের আওতায় নিয়েছে।
প্রসঙ্গক্রমে মেয়র কমিটির অবগতির জন্য বলেন, তিন অর্থ বছরের মধ্যে নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডের সবগুলো সড়ক, রাস্তা ও বাইলেইন কার্পেটিং করা হবে। নগরীর সবগুলো খাল ও নালার মাটি উত্তোলন করা হবে। শহরকে এলইডির আওতায় এনে শতভাগ আলোকিত করা হবে। নগরীর ফুটপাত, মিডআইল্যান্ড ও গোলচত্বর বিউটিফিকেশনের আওতায় দৃষ্টি নন্দন ও গ্রিন করা হবে। নগরীর যানজট নিরসনসহ ট্রাফিক সিস্টেমকে আধুনিকায়ন করা হবে। মেয়র বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডকে জরিপ করে ভিডিও করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে দেখে অবৈধ স’াপনা অপসারণ করার কার্যক্রম চলছে।
আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা ও বৃদ্ধির স্বার্থে এবং যানজট নিরসন ও জনসাধারনের চলাচলের স্বার্থে রাস্তাগুলোকে অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে। হকারদের স্বার্থে হকারদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নিরপেক্ষ ও গোপনীয়তা রক্ষা করে হকার পরিসংখ্যান করা হচ্ছে। প্রকৃত হকারদের পরিচয় পত্র সরবরাহ করা হবে। সিটি করপোরেশন ফুটপাত চিহ্নিত করে চলাচলের জন্য ৩/২ অংশ বাদ দিয়ে ৩/১ অংশের মধ্যে সু-শৃঙ্খলভাবে হকারদের ব্যবসার সুযোগ দেয়া হবে। তবে হকার’রা ব্যবসা করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দেয়া হবে। যাতে দিনের বেলার বাকি সময়ে হকারগণ ভিন্ন ভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে আয় রোজগারের সুযোগ পায়।
তিনি বলেন, হকার সংগঠনসহ হকারদের সাথে বৈঠক করে হকারদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে। অচিরেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
মেয়র বলেন, সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটির সদস্যদের সু-চিন্তিত প্রস্তাব ও পরামর্শকে নাগরিক স্বার্থে কাজে লাগানো হবে। ইতোমধ্যে ৭শত ১৬ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। প্রিএকনেকের অপেক্ষায় আছে আরোও ২টি প্রকল্প এবং ১ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্পের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাছাড়া ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের অর্থায়নে বিএমডিএফ ১৫০ শত কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করার সুযোগ দিয়েছে।
তিনি বলেন, আন্তরিকতা, সঠিক পরিকল্পনা ও দৃঢ়তা থাকলে কঠিনকে জয় করা যায়। প্রমান স্বরূপ মেয়র বলেন, বিলবোর্ড উচ্ছেদ একটি জলন্ত প্রমাণ। তিনি বলেন, রাতে বর্জ্য অপসারণের কাজ চলছে তা অব্যাহত থাকবে। আশা করা যায় ডোর টু ডোর আবর্জনা সংগ্রহ প্রকল্পটির সুফল আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যেই জনগণ ভোগ করবে। ব্যয় বহুল এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরীর পরিবেশ অনেক উন্নত হবে। তিনি বলেন, আগামী ৩ বছরের মধ্যে চট্টগ্রামে দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে। -বিজ্ঞপ্তি

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *