28 Oct 2021 - 01:42:09 am। লগিন

Default Ad Banner

ঝালকাঠিতে ৪০ কোটি ব্যয়ে ১৪ কি.মি মহাসড়ক নির্মাণ, স্বস্তিতে দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীরা

Published on Monday, November 4, 2019 at 5:22 pm 123 Views

এমসি ডেস্ক:  ঝালকাঠির আঞ্চলিক মহাসড়কের ১৪ কিলোমিটার অংশ উন্নত প্রযুক্তি আর মানসম্পন্ন কাঁচামাল ব্যবহারের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এটি অন্তত পাঁচ বছর অক্ষত থাকার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা। যদিও নির্মাণের পর বছর না পেরোতেই দেশে বেশিরভাগ সড়কে উঠে যায় বিটুমিন। হালকা বৃষ্টিতে তৈরি হয় খানাখন্দ। এক বছর আগেও বরিশাল-ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কেরএই ১৪ কিলোমিটার ছিলো দুর্ভোগের আরেক নাম। মাঝপথে যানবাহন অচল, দুর্ঘটনা ছিলো প্রতিদিনের আতংক। এইটুকু পথ যেতেই লাগতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা। সরকারের টেকসই উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে নতুন করে এই ১৪ কিলোমিটার অংশ তৈরি করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এতে যাত্রার সময় কমে এসেছে কয়েক মিনিটে। ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কে ব্যবহার ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত প্রযুক্তি ও কাঁচামাল। নিশ্চিত করা হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ গ্রেডের বিটুমিন ও এলসি পাথরের ব্যবহার। জানা গেছে, ১৮ ফুট প্রশস্ত সড়কটি এখন ২৪ ফুটে পরিণত হয়েছে। ‘গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রকল্প বরিশাল জোন’ এর আওতায় নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের মার্চ মাসে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সড়কের কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও দু’মাস আগেই এর নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। সড়কটি নির্মাণে উন্নত মানের কাঁচামাল ব্যবহার করা হয়েছে। সড়কটির প্রশস্ততা কম থাকায় আগে দু’টি গাড়ী পাশাপাশি অতিক্রম করতে সমস্যার সৃষ্টি হত। তাছাড়া খানা-খন্দকে পরিপূণ থাকায় প্রাই ঘটত দুর্ঘটনা। এসব বিষয়ের দিকে খেয়াল রেখে সড়কটি ১৮ ফুট থেকে বাড়িয়ে ২৪ ফুট প্রশস্ত করা হয়েছে। উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন যন্ত্রপাতি দিয়ে নির্মাণের ফলে সড়কটি অধিক টেকসই এবং মসৃণ হয়েছে। এর ফলে কমেছে যাতায়াতের সময় এবং দুর্ভোগ। সড়কে যাতায়াতকারী যানবহন চালক ও যাত্রীরা জানান, ভাঙ্গাচোর রাস্তার কারণে ঝালকাঠি থেকে বিভাগীয় শহর বরিশাল যেতে তাদের আগে ভোগান্তি পোহতে হত। বর্তমানে সড়কটি সংস্কার ও চওড়া হওয়ায় দ্রুত এবং স্বাচ্ছন্দে চলাচলা করতে পারছেন। এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এম.খান লিমটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহফুজ খান জানান, এই সড়কটি নির্মাণের ক্ষেত্রে আমরা বিশ্বের উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি। এলসি পাথর দ্বারা নির্মিত সড়কটিতে ৬০ থেকে ৭০ গ্রেডের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে এ সড়কটি আগামী ৫ বছরের মধ্যে কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ঝালকাঠি সড়ক বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন জানান, নিয়মিত উপস্থিত থেকে সড়টির কাজ তদারকি করেছি। যেখানে মেটারিয়ালস মিক্সিং হয় সেই প্লান্টেও সার্বক্ষণিক আমাদের লোক উপস্থিত ছিলো।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *