19 Jan 2021 - 05:57:04 am। লগিন

Default Ad Banner

জলাতঙ্ক নির্মূলে নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে টিকাদান কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালিত

Published on Monday, December 24, 2018 at 6:11 am 202 Views

ডি কে মহন্ত(আফতাবগঞ্জ,নবাবগঞ্জ,দিনাজপুর)প্রতিনিধি:-জলাতঙ্ক (ইংরেজি: Rabies) হল ভাইরাস জনিত এক ধরনের জুনোটিক রোগ (অর্থাৎ এই রোগ টি প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়ায়)। রেবিজ ভাইরাস নামক একধরণের নিউরোট্রপিক ভাইরাস দিয়ে এই রোগ হয়।এই রোগ সাধারনত গৃহপালিত প্রাণী ও বন্য প্রাণীদের প্রথমে সংক্রমিত করে, মানুষ এই প্রাণীগুলির বা এদের লালার সংস্পর্শে আসলে বা এই প্রাণীগুলি যদি মানুষকে কামড়ায় অথবা আচুড় দেয় তাহলে এই রোগ মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে। জলাতঙ্ক রোগ এন্টার্কটিকা ছাড়া প্রায় সব মহাদেশেই দেখা গেছে। জলাতঙ্ক রোগের জন্য প্রতি বছর বিশ্বে অসংখ্য মানুষ মারা যায়। আমাদের দেশে জলাতঙ্ক রোগে বছরে ২০ হাজার মানুষ মারা যায়। ভাইরাসজনিত র‌্যাবিস জীবাণু দ্বারা মানুষ আক্রান্ত হলে যে রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায় তাকে বলা হয় জলাতঙ্ক রোগ। এটি একটি মারাত্মক রোগ। যা একবার হলে রোগীকে বাঁচানো বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। বা বাঁচানো সম্ভব হয় না। তবে বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে তবুও আমাদের দেশে শতকরা ৯৫ ভাগ জলাতঙ্ক রোগ হয় কুকুরের কামড়ে। তাই ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে জলাতঙ্ক নির্মূল করার লক্ষ্যে নবাবগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য অধিদফতের উদ্যোগে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে গৃহপালিত এবং বেওয়ারিশ কুকুর গুলোকে টিকা দেওয়ার জন্য টিকাদান কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। কুকুরকে টিকাদান কর্মসূচি কার্যক্রম উপলক্ষে বর্তমান সরকারের অন্যান্য খাত সহ স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য, গত ১৩ই ডিসেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার জলাতঙ্ক নির্মূলে ৯টি ইউনিয়নের টিকাদান কর্মসূচির কার্যক্রম উদ্ভোধন করেন দিনাজপুর ১১/৬ সংসদীয় আসনের সাংসদ মোঃ শিবলী সাদিক এমপি। নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে মোট ১৮টি স্বেচ্ছাসেবী টিম ১৩ই ডিসেম্বর থেকে ১৮ই ডিসেম্বর পর্যন্ত এ কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালনা করে। একজন সুপারভাইজারের নেতৃত্বে দুজন ডাক্তার, দুজন ডাটা কালেক্টর, দুজন এক্সপার্ট ডক ক্যাচার এবং দুজন লোকাল ডক ক্যাচারের মধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নের দুটি টিমে বিভক্ত হয়ে এ কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। সরেজমিনে উপজেলার ১নং জয়পুর ইউনিয়ন এবং ৯নং কুশদহ ইউনিয়নের এলাকাজুড়ে দেখা যায় এ টিকাদান কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালনা করতে। ১৭ ডিসেম্বর আফতাবগঞ্জে টিকাদান কর্মসূচি কার্যক্রম পরিচালনা করার সময় কথা হয় উক্ত স্বেচ্ছাসেবী ১৮নং টিমের লোকাল ডক ক্যাচার হুমায়ুন কবীর জীবনের সঙ্গে, তিনি জানান ১৮ ডিসেম্বর এ কর্মসূচির কার্যক্রম আপাতত শেষ হচ্ছে।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *