08 Dec 2021 - 12:08:33 am। লগিন

Default Ad Banner

গনমানুষের দাবি দিনাজপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজবিল্ডিং এর নাম করণ “মোহাম্মদ আলী চৌধুরী বিল্ডিং” করা হোক

Published on Tuesday, August 27, 2019 at 2:25 pm 218 Views

এম আর মামুনঃ কৃত্তিমান এর মৃত্যু নাই,এই প্রবাদের সূত্র ধরে বাস্তবতায় এগিয়ে, মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর সাফল্য কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ আজ প্রতিষ্ঠিত বিদ্যাপিঠ। ১৯৮০ দশকের শেষ দিক থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মোহাম্মদ আলী চৌধুরী কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের সদস্য পদে অধিষ্ঠিত থেকে অত্র প্রতিষ্ঠানটির জন্য যে অবদান রেখেছেন এর একটি প্রমান তিনি দিয়েছেন। তিনি গড়ে দিয়েছেন শিক্ষক কমন রুম,বিঙ্গান ল্যাবরেটরী। আরডি আরএস এর মাধ্যমে এবং কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া(কচি) এর সহায়তায় আর ডি আর এস ঠাকুরগাও থেকে একটি টিন সেট বিল্ডিং শিক্ষা মন্ত্রালয়ের সচিবের সঙ্গে তার দপ্তরে কথা বলে সেই মোতাবেক দরখাস্ত দাখিলের মাধ্যমে দোতলা স্কুল বিল্ডিং জেলা পরিষদ সচিব বরাবর দরখাস্ত দিয়ে ছাত্রীদের টয়লেট নির্মান সম্পর্ন হয়। সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বরাবর ২৫/০৯/২০০৭ সালে তিনি দরখাস্ত দাখিলের মাধ্যমে বর্তমানে অত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চতুর্থ তলা কলেজ ভবন নির্মিত হয়। প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শ্রেণী কক্ষে বৈদুতিক পাখা ও বাল্ব সংযোজন, চতুর্থ শ্রেনির কর্মচারিদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম পুরুষদের সাফারি ও মহিলাদের সাড়ি পান তাঁরা।
প্রসঙ্গক্রমে ২০১৩ সালে দিনাজপুর কলেজিয়েট গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে সাবেক দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দের এক পূর্নমিলনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ঐ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী ভাষনে কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষয়ত্রী এবং পরবর্তীতে প্রাক্তন অধ্যক্ষ গুল বেগম প্রথমে তার বক্তব্যে বলেন, আজকে আপনারা এই কলেজিয়েটের যে উন্নয়ন এবং যে অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করছেন এর অবদান সাবেক গর্ভঃবডী সদস্য মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়, সততা, নিস্ঠা এবং আপসহীন কর্মকান্ডের ভিত্তিতে অত্র কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ আজ দিনাজপুর জেলার একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আত্ম প্রকাশ করেছে। ইমদাদুল হক নামে প্রাক্তন জিবি সদস্য জানান, ১৯৮০ এর দশক থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মোহাম্মদ আলী চৌধুরী অত্র কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জিবি সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠানের যতগুলি নিয়োগ বোর্ড এর সদস্য হিসেবে উপস্থিত থেকে যতগুলো স্কুল শিক্ষক, কলেক শিক্ষক, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছেন তারা সকলেই সম্পুর্ন মেধার ভিত্তিতে হয়েছেন। এর মধ্যে ২০০৬ সালে অধ্যক্ষ পদে মোহাম্মদ হাইবুল ইসলাম এর নিয়োগ জলন্ত প্রমান। এর সুবাদে কলেজিয়েটে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক বৃন্দ মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সেই সাথে দিনাজপুর শহর বাসী ও জেলাবাসী মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর প্রতি তার সততার জন্য আন্তরিক সাধুবাদ জ্ঞাপন করেছেন। এখানে আরো উল্লেখ্য যে, ১৯৮০এর দশক থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মোহাম্মদ আলী চৌধুরী কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন। তার দ্বায়িত্ব পালন কালে তিনি কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে কোন রকম দুর্নতি হতে দেন নি। বা তার বিরুদ্ধে কেউ কোন দিন অভিযোগ উত্থাপন করেনি। এর সুবাদে শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও সর্বস্তরের জনগন মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর প্রতি গভীর সাধুবাদ জ্ঞাপন করেছেন। প্রসঙ্গ ক্রমে সমাজসেবা, শিক্ষা, ব্রিজ, বাঁধ, রাস্তা-ঘাট সেই সাথে ফুলবাড়ী সরকারি কলেজে অনার্স কোর্স বাস্তবায়নে তার জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এর জন্য সর্বস্তরের জনগন মোহাম্মদ আলী চৌধুরীকে লৌহমানব এবং ব্রিজ মাষ্টার উপাধিতে ভূষিত করে সর্ম্বরধনা প্রদান করেছে।
পরিশেষে কলেজিয়েট স্কুল ও কলেজের চতুর্থ তলা ভবনটি জনগনের মতামতের প্রেক্ষিতে চতুর্থ তলা ভবনটির নাম "মোহাম্মদ আলী চৌধুরীবিল্ডিং"করার সহমত পোষণ করছি। কলেজিয়েট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করবেন মর্মে আশাবাদ ব্যাক্ত করছি।
মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর জীবন বৃত্তান্ত আলোচনা করতে গিয়ে কবি গুরুর ভাঁষায় তার উদ্দেশ্যে বলতে হয়-
"জীবন উৎসব শেষে দুই পায়ে ঠেলে
মৃৎপাত্রের মতো যাও ফেলে।
তোমার কীর্তির চেয়ে তুমি যে মহৎ
তাই তব জীবনের রথ ।
পশ্চার্তে ফেলিয়া যায় কীর্তিতে তোমার বারম্বার ।
তাই চিহ্ন তব পড়ে আছে, তুমি হেতা নাই"।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *