শিরোনাম

13 Apr 2021 - 04:56:53 pm। লগিন

Default Ad Banner

খাদ্যের অভাবে ভুগছে দক্ষিণ আফ্রিকার সাড়ে ৪ কোটি মানুষ

Published on Sunday, January 19, 2020 at 6:29 pm 92 Views

এমসি ডেস্কঃ আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ১৬টি দেশে খাদ্যাভাবে রয়েছে অন্তত চার কোটি ৫০ লাখ মানুষ। জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে।

ডব্লিউএফপির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানায়, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত ১৬টি দেশে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। এছাড়া ভয়াবহ বন্যা ও খরার কারণে প্রয়োজনীয় খাবার পাচ্ছে না সেখানকার সাড়ে চার কোটি মানুষ।

এ সম্পর্কে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে নিয়োজিত ডব্লিউএফপির আঞ্চলিক প্রধান লোলা কাস্ত্রো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই খাদ্যাভাবের মাত্রা এত বেশি, যা আমরা আগে কখনো দেখিনি। বিভিন্ন তথ্য বলছে, এই সংকট আরো বাড়বে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের সময় শুরু হয়ে গেছে। গত বছরও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মারাত্মক ক্ষতি হয়। এবারও তেমনটিই আশঙ্কা করা হচ্ছে।’

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা বাইতুল্লায়, এক সাথে অবস্থান নিতে পারবে ২৫০০ মানুষ!

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা নির্মাণ হচ্ছে মক্কার বাইতুল্লাহ শরিফে। প্রতিটি ছাতার উচ্চতা ৩০ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমানভাবে ৫৩ মিটার। ছাতাগুলো এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা হিসেবে পরিচিতি পেতে যাচ্ছে। প্রতিটি ছাতার নীচে কম করে হলেও হাজার মানুষ দাঁড়াতে পারবে।

সূত্রমতে জানাযায়, ২০১৪-সালের ডিসেম্বর মাসে মক্কা-মদিনা হারামের খাদেম ও সৌদি আরব সরকারের প্রধান প্রয়াত মালিক আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ আল সাউদ প্রচণ্ড তাপমাত্রার কথা চিন্তা করে পবিত্র হজ্জ ও ওমরাহতে আসা আল্লাহর মেহেমান হাজী ও নিয়মিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার্থে এ বৃহত্তর ভাঁ’জ করা ছাতা নির্মাণ করার ঘোষণা দেন।

জেনারেল প্রেসিডেন্সি টু হলিমস্ক কোম্পানি নামে ঠিকাদার সৌদি সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ ভাঁজ করা ছাতা নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করবে। ইতিমধ্যে জাপান থেকে এসে কাজ শুরু করেছে প্রায় ২৫-জন ইঞ্জিনিয়ার সহ প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান ও সেপটি এক্সপার্ট।

প্রতিটি ছাতা ৪৫-মিটার উঁচু ও প্রায় ১৬-টন ওজন হবে। প্রতি-টা ছাতা ২৪-স্কয়ার মিটার স্থান জুড়ে ছায়া দিতে সক্ষম হবে। হারাম শরীফের উপরে ৮-টি হাই টেকনোলোজি সাইজের ছাতা বসানো হবে। হারামের উত্তর পাশে ৫৪-টি ছাতা বসানো হবে। সবকটি ছাতা মিলে প্রায় ১৯-হাজার ২০০-শত স্কয়ার মিটার স্থান জুড়ে ছায়া দিবে। কাবা শরীফের ছাদও মডেল ছাতার ছায়া তলে থাকবে।

নির্মিত ভাঁজ করা প্রতিটি ছাতা বড় বড় ঘড়ি ও এইচডি স্ক্রিনে তৈরি হবে। ছাতায় হাজীদের জন্য দিকনির্দেশনা লেখা থাকবে। ছাতা গুলো এসি সংযুক্ত গরমে ঠাণ্ডা দিবে। হাজীগণ ও প্রার্থনা কারীরা বিশ্রাম নিতে পারার মত ছাতার নিছে থাকবে ২২-টি বেন্স ও হাই সিকিউরিটি ব্যবস্থা।

ছাতা গুলো সম্পূর্ণ হলে হারামের উত্তর পার্শ্বে ৪-লাখ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে। মদিনা মসজিদ নববীতে আগে থেকে ছাতা রয়েছে প্রতিটি ছাতা খোলার সময় এক মিনিট ব্যবধান থাকে যাতে করে একটি ছাতা আরেকটি ছাতার সাথে ধাক্কা না লাগে।

খোলার সময় মনে হয় একটি ফুল ফুটছে বাগানে। এ ভাঁজ করা ছাতা নির্মিত হলে মক্কা বায়তুল্লাহ (কাবা ঘর) ঘিরে মসজিদুল আল হারামের দৃশ্য হবে অন্যরকম সুন্দর। দৃষ্টিনন্দন। সূত্র: ইসলাম ইন্ক

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *