শিরোনাম

13 Apr 2021 - 03:48:40 pm। লগিন

Default Ad Banner

আরও চাপে ভারত, পানি বন্ধ করে দিল ভুটান

Published on Friday, June 26, 2020 at 9:22 pm 89 Views

 

 

এমসি ডেস্ক :    সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে চীন ও নেপাল সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে ভারতের। পরিস্থিতি এমন যে পুরো ভারতের মনোযোগ এখন লাদাখ সীমান্তে চীনের সঙ্গে সামরিক সংঘর্ষ কিংবা নেপালের ভারতীয় এলাকা অন্তভূর্ক্ত করে মানচিত্র প্রকাশের দিকে। ঠিক এই মুহূর্তে আরেক প্রতিবেশী ভুটানও নীরবে আসাম রাজ্যের বাকসা জেলা দিয়ে প্রবাহিত চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতীয় কৃষকদের দেওয়া পানির প্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

কৃত্রিমভাবে তৈরি সেচ চ্যানেলটির (স্থানীয়ভাবে যার নাম ডং) ওপর নির্ভরশীল বাকসা জেলার অন্তত ২৬টি গ্রামের কৃষক। ১৯৫৩ সাল থেকে এই চ্যানেলটি দিয়ে ভুটান থেকে প্রবাহিত হয়ে আসার পানির মাধ্যমে চাষাবাদের কাজ করেন তারা। ফলে হঠাৎ তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কোনও কারণ না উল্লেখ করে হঠাৎ করে ভুটান সরকার চ্যানেলটির পানির প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ায় পুরো বাকসা জেলায় মারাত্মক আকারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন জেলার কৃষকরা। সঙ্গে নাগরিক সমাজের সদস্যরাও তাতে যোগ দেন।

ভুটানের এমন সিদ্ধান্তের কারণে ভুক্তভোগী কৃষক এবং আসামের ওই জেলার নাগরিক সমাজের সদস্যরাও সোমবার বিক্ষোভ মিছিল করেন। ভুটান সরকার ভারতীয় কৃষকদের জন্য সেচের পানি এমন আচমকা বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে মারাত্মক উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সংকট সমাধানের দাবি জানান তারা।

কয়েক দশক ধরে সেচের উদ্দেশ্যে পানি ছেড়ে দেওয়ার জন্য ভুটানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় সরকারকে বিষয়টি নিয়ে ভুটান সরকারের কাছে আলোচনা করার এবং জেলার কৃষকদের বৃহত্তর স্বার্থের বিষয়টি মাথায় রেখে তা সমাধানের অনুরোধ জানান।

‘কালীপুর-বোগাজুলি-কালানদী আঞ্চলিক ডং বাঁধ সমিতি’র ব্যানারে জেলার কয়েকশ কৃষক ওই বিক্ষোভে অংশ নেন। বিগত সাত দশক ধরে ভুটান থেকে ছাড়া এই পানির ওপর মারাত্মকভাবে নির্ভরশীল এসব গ্রামের কৃষকরা ভুটান সরকারকে প্রয়োজনীয় পানি ছাড়ার দাবি জানান।

ভুটান সরকারের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করার আহ্বান জানিয়ে কৃষকরা আসাম রাজ্য সরকারের কাছে বিষয়টি নিয়ে যথাযথ এবং পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে করে আগামী দিনে কৃষকদের ধান ক্ষেতের পানির প্রবাহ অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়া বা ব্যাহত করার এমন ঘটনা আর না ঘটে।

Default Ad Banner

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *